ওহে ব্লগারবর একটু দাড়াইবে কি? একপাটি জুতার আত্মকাহীনি শুনিবার সময় হইবে কি তোমার ? তুচ্ছ মনে করিয়া আমার কাহীনি না শুনিয়া যাইও না। একটু দাড়াও , আমার কিছু বলিবার ছিল শুনিয়া যাও।
আমি এক পাটি জুতা। তোমাদের পদযুগল কে রক্ষা করিবার নিমিত্তেই আমার সৃষ্টি। শুধু ধুলা ময়লা হইতে নয়, তোমাদের পদযুগল আমি পঁচা পানি, রাস্তার কাঁটা, পাথর, ইষ্টকের খন্ড হইতে রক্ষা করিয়া আসিতেছি যুগ যুগ ধরিয়া। সেই রাজা হবুচন্দ্রের সময় হইতে আমাকে তোমরা তোমাদের পদযুগলের নিচে রাখিয়া আসিতেছ। তোমাদের শরীরের সকল ভার আমার উপর দিয়া তোমরা চলা ফেরা করিয়া থাক নিশ্চিন্তে। তবু আমাকে তুচ্ছ ভাবিয়া থাক সর্বদা। তুচ্ছার্থে ব্যবহার করিয়া থাকো যেমন কাউকে অপমান করিতে জুতা দেওয়া বলিয়া থাকো কিংবা গরু মেরে জুতা দান বলিয়া থাকো। এরুপ আরো বহুবিধ অর্থে আমাকে ব্যবহার করিয়া থাকো তোমরা।
তোমাদের এহেন কার্যকলাপে আমি মনক্ষুন্ন হইয়া ভিতরে ভিতরে মরিয়া যাইতেছিলাম। মাঝে মাঝে তোমরা কারো কুশপুত্তলিকায় আমাকে ঝুলাইয়া মিছিল কর তখন একটু পৃথীবির রং রুপ দেখিবার সাধ্য হয়। সম্প্রতি এক সাংবাদিক বন্ধু আমার এক জ্ঞাতি ভাই কে আন্যভাবে ব্যবহার করিয়া আমার মর্যাদা বাড়াইয়া দিয়াছে। উহার পর আমার কদর বাড়িয়া গিয়াছে। উনি কোন এক রাষ্ট্রপ্রধানের দিকে নাকি আমার ঐ জ্ঞাতি ভাইকে ছুড়িয়া মারিয়াছিল। রাষ্ট্রপ্রধানের শরীর স্পর্শ করিতে পারে নাই সে, তাহাতে কি হইয়াছে , বিশ্বে আমি নন্দিত হইহাছি। আমার কদর বাড়িয়া গিয়াছে।
কিন্তু সম্প্রতি এই দেশে তোমরা যাহা করিতেছ উহাতে আমি বড়ই লজ্জিত ও নিন্দিত হইতেছি। তোমরা মসজিদের ভিতর যাইয়া আমাকে লইয়া মারামারি করিতেছ। মসজিদ পবিত্র রাখিবার লাগিয়া আমাকে খুলিয়া সন্তর্পনে নির্দিষ্ট স্থানে রাখিয়া নামাজ আদায় কর, আমি উহাতে কষ্ট পাইনা , কারন আমার শরীরে ময়লা লাগিয়া থাকে। মসজিদের মত পবিত্র স্থানে আমার ময়লায় যেন নোংরা না হয় সে ব্যপারে আমিও তোমাদের ন্যায় সচেষ্ট থাকি। তোমরা জ্ঞানী ব্যাক্তি। আমার সেরুপ বুদ্ধি নাই কিন্তু আমি যা বুঝি, তোমরা কোন এক খতীবের অধীনে নামাজ পড়িবানা বলিয়া হট্টোগল সৃষ্টি করিতেছ। ভাল কথা, নামাজ না পড়িতে চাহিলে পড়িও না তাহার পিছনে, অন্য মসজিদে চলিয়া যাও, দেশে তো মসজিদের অভাব হইয়া যায় নি। কিন্তু আমাকে লইয়া কেন টানা টানি করিতেছ? মসজিদ নোংরা হইবে না বলিয়া আমাকে হাতে করিয়া নির্দিষ্ট স্থানে রাখো অথচ সেই আমাকে দিয়াই তোমরা মানুষের শরীরে আঘাত করিতেছ। তোমরা ভুলিয়া গিয়াছ মসজিদ হইতেও একজন মানুষ পবিত্র হইতে পারে। যে ব্যাক্তি নামাজ পড়িতে আসিয়াছে সে কি অপরাধ করিয়াছে যে তাকে মারিবার জন্য আমার মত নোংরা বস্তু কে হাতে তুলিয়া নিতে হইবে ? মানুষ হইয়া মানুষের পবিত্রতা রক্ষা করিতে পারো না , তোমরা মসজিদের পবিত্রতা কি করিয়া রক্ষা করিবে ? তোমরা ইবাদতের স্থানে রাজনীতি লইয়া ব্যাস্ত থাকো তোমরা কি করিয়া ঈমানদার হইবে ? ইহাই কি ইসলামের বানী? তোমরা ধর্ম ভুলিয়া আজ অনুষ্ঠান আর রাজনীতি লইয়া ব্যাস্ত বলিয়াই আজ তোমাদের কারনে আমাকে নিন্দিত হইতে হইতেছে। তোমাদের মত ব্যক্তির হাতে আমার ঐ রুপ ব্যবাহার দেখিয়া আমি বড়ই মর্মাহত হইয়াছি। আবশ্য যাহারা মানুষ কে মসজিদের ভিতর আহত করিয়া থাকে , আমার মত একটি জুতার মর্মাহত তে তাহাদের কি আসিয়া যায়।
ধিক তোমাদের।
আমি এক পাটি জুতা। তোমাদের পদযুগল কে রক্ষা করিবার নিমিত্তেই আমার সৃষ্টি। শুধু ধুলা ময়লা হইতে নয়, তোমাদের পদযুগল আমি পঁচা পানি, রাস্তার কাঁটা, পাথর, ইষ্টকের খন্ড হইতে রক্ষা করিয়া আসিতেছি যুগ যুগ ধরিয়া। সেই রাজা হবুচন্দ্রের সময় হইতে আমাকে তোমরা তোমাদের পদযুগলের নিচে রাখিয়া আসিতেছ। তোমাদের শরীরের সকল ভার আমার উপর দিয়া তোমরা চলা ফেরা করিয়া থাক নিশ্চিন্তে। তবু আমাকে তুচ্ছ ভাবিয়া থাক সর্বদা। তুচ্ছার্থে ব্যবহার করিয়া থাকো যেমন কাউকে অপমান করিতে জুতা দেওয়া বলিয়া থাকো কিংবা গরু মেরে জুতা দান বলিয়া থাকো। এরুপ আরো বহুবিধ অর্থে আমাকে ব্যবহার করিয়া থাকো তোমরা।
তোমাদের এহেন কার্যকলাপে আমি মনক্ষুন্ন হইয়া ভিতরে ভিতরে মরিয়া যাইতেছিলাম। মাঝে মাঝে তোমরা কারো কুশপুত্তলিকায় আমাকে ঝুলাইয়া মিছিল কর তখন একটু পৃথীবির রং রুপ দেখিবার সাধ্য হয়। সম্প্রতি এক সাংবাদিক বন্ধু আমার এক জ্ঞাতি ভাই কে আন্যভাবে ব্যবহার করিয়া আমার মর্যাদা বাড়াইয়া দিয়াছে। উহার পর আমার কদর বাড়িয়া গিয়াছে। উনি কোন এক রাষ্ট্রপ্রধানের দিকে নাকি আমার ঐ জ্ঞাতি ভাইকে ছুড়িয়া মারিয়াছিল। রাষ্ট্রপ্রধানের শরীর স্পর্শ করিতে পারে নাই সে, তাহাতে কি হইয়াছে , বিশ্বে আমি নন্দিত হইহাছি। আমার কদর বাড়িয়া গিয়াছে।
কিন্তু সম্প্রতি এই দেশে তোমরা যাহা করিতেছ উহাতে আমি বড়ই লজ্জিত ও নিন্দিত হইতেছি। তোমরা মসজিদের ভিতর যাইয়া আমাকে লইয়া মারামারি করিতেছ। মসজিদ পবিত্র রাখিবার লাগিয়া আমাকে খুলিয়া সন্তর্পনে নির্দিষ্ট স্থানে রাখিয়া নামাজ আদায় কর, আমি উহাতে কষ্ট পাইনা , কারন আমার শরীরে ময়লা লাগিয়া থাকে। মসজিদের মত পবিত্র স্থানে আমার ময়লায় যেন নোংরা না হয় সে ব্যপারে আমিও তোমাদের ন্যায় সচেষ্ট থাকি। তোমরা জ্ঞানী ব্যাক্তি। আমার সেরুপ বুদ্ধি নাই কিন্তু আমি যা বুঝি, তোমরা কোন এক খতীবের অধীনে নামাজ পড়িবানা বলিয়া হট্টোগল সৃষ্টি করিতেছ। ভাল কথা, নামাজ না পড়িতে চাহিলে পড়িও না তাহার পিছনে, অন্য মসজিদে চলিয়া যাও, দেশে তো মসজিদের অভাব হইয়া যায় নি। কিন্তু আমাকে লইয়া কেন টানা টানি করিতেছ? মসজিদ নোংরা হইবে না বলিয়া আমাকে হাতে করিয়া নির্দিষ্ট স্থানে রাখো অথচ সেই আমাকে দিয়াই তোমরা মানুষের শরীরে আঘাত করিতেছ। তোমরা ভুলিয়া গিয়াছ মসজিদ হইতেও একজন মানুষ পবিত্র হইতে পারে। যে ব্যাক্তি নামাজ পড়িতে আসিয়াছে সে কি অপরাধ করিয়াছে যে তাকে মারিবার জন্য আমার মত নোংরা বস্তু কে হাতে তুলিয়া নিতে হইবে ? মানুষ হইয়া মানুষের পবিত্রতা রক্ষা করিতে পারো না , তোমরা মসজিদের পবিত্রতা কি করিয়া রক্ষা করিবে ? তোমরা ইবাদতের স্থানে রাজনীতি লইয়া ব্যাস্ত থাকো তোমরা কি করিয়া ঈমানদার হইবে ? ইহাই কি ইসলামের বানী? তোমরা ধর্ম ভুলিয়া আজ অনুষ্ঠান আর রাজনীতি লইয়া ব্যাস্ত বলিয়াই আজ তোমাদের কারনে আমাকে নিন্দিত হইতে হইতেছে। তোমাদের মত ব্যক্তির হাতে আমার ঐ রুপ ব্যবাহার দেখিয়া আমি বড়ই মর্মাহত হইয়াছি। আবশ্য যাহারা মানুষ কে মসজিদের ভিতর আহত করিয়া থাকে , আমার মত একটি জুতার মর্মাহত তে তাহাদের কি আসিয়া যায়।
ধিক তোমাদের।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন