১ম দৃশ্য
নবাব সিরাজ বসে আছেন সিংহাসনে। তাঁর সামনে চেয়ারে উপবিষ্ট সভাসদ।
সিরাজঃ বাংলা বিহার উড়িষ্যার মহান অধিপতি......
এমন সময় কে যেন বলে উঠলো - কা-আ-ট
সিরাজঃ কে কে ওখানে ? কাট বলে কে ?
জনৈক সভাসদঃ গোস্তাগি মাফ করবেন হুজুর। বাংলা সিনেমার এক আবাল ডিরেক্টর, আপনার রাজদরবারে "দেবদাস" সিনেমার শুটিং এ এসেছিল। আপনার ডায়লগ শুনে মনে করেছে এখানেও সিনেমার শুটিং হচ্ছে বুঝি !!!
সিরাজঃ খামোশ !!! এত বড় আস্পর্ধা আমার প্রাসাদে শুটিং !!! এই কে আছিস , ওকে ধরে ক্রসফায়ারে দে !!!
মহন লালঃ বেয়াদবি নিবেন না হুজুর। আপনার ক্রসফায়ারে দেবার ক্ষমতা নেই, ঐ ক্ষমতা একমাত্র নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার এর।
সিরাজঃ হুম। তাহলে ওকে ক্রসশূলে চড়ানো হোক।
এমন সময় সিরাজের মোবাইল বেঁজে উঠে।
বেগম কল করেছে অন্দরমহল থেকে।
সিরাজঃ বেগম কি মনে করে আপনি আমায় ডাক দিয়েছেন?
ওপাশ থেকেঃ জাঁহাপণা , আপনার সন্ধ্যার নাস্তা তৈরী, আপনি কি তশরিফ দিবেন এখানে।
সিরাজঃ যাথাজ্ঞা বেগম। কি নাস্তা করেছেন আজ ?
ওপাশ থেকেঃ কে এফ সি থেকে ফ্রায়েড চিকেন আনিয়েছি আজ।
সিরাজঃ বাহ বাহ বহুৎ খুব। কি করে জানলেন আমি ফ্রায়েড চিকেন খেতে চেয়েছি ?
ওপাশ থেকেঃ জাঁহাপণা , আমি ফ্রয়েড এর থিওরি পড়েছি যে তাই।
সিরাজঃ আমি আসছি বেগম। আপনি অপেক্ষা করুন।
এই বলে নবাব সিরাজ তার মোবাইল রেখে দেয় মিরপুরি কাতানে তৈরী আলখাল্লায়।
সিরাজঃ রাজকার্য আজকের মত সমাপ্ত
উঁমি চাঁদঃ হুজুর এত ক্ষন বসিয়ে রাখলেন আমাদের ওভার টাইম দিবেন না?
সিরাজঃ সিওর।
সিরাজ বের হয়ে যায় দরবার থেকে ।
২য় দৃশ্য
নবাব সিরাজ বসে আছেন খাবার টেবিলে। তাঁর পাশে বসে আছেন বসে আছেন তাঁর বেগম লুৎফুন্নিসা।
সিরাজঃ আহ চিকেন ফ্রাই খেয়ে মনটা ভরে গেল বেগম। আপনার সাথে দরকারী কথা ছিল বেগম।
বেগম লুৎফুন্নিসাঃ বলুন জনাব
সিরাজঃ আপনার কাতান শাড়ী গুলো কোনটা পুরান হয়েছে বেগম ?
বেগম লুৎফুন্নিসাঃ কেন হুজুর?
সিরাজঃ না মানে আমার আলখাল্লা বানাতে হবে তো তাই খুঁজছি।
বেগম লুৎফুন্নিসাঃ গোস্তাগি মাফ করবেন , এখন আর মিরপুরি কাতান কিনি না হুজুর। ঐটার চল চলে গেছে। "মনে রেখ"আর "শপার্স ওয়ার্ল্ড" থেকে কেনা জর্জেট কাতান শাড়ী সব। ঐ শাড়ী দিয়ে তো আলখাল্লা হবে না হুজুর।
সিরাজঃ তাহলে ???
বেগম লুৎফুন্নিসাঃ হুজুর আপনি শপার্স ওয়ার্ল্ড এ যান , এই যুগের কাপড় চোপড় কিনুন। এখন ঐ গুলা পুরান ফ্যাশন হয়ে গেছে হুজুর এ আলম।
বেগমের কথা শুনে সিরাজ চিন্তামগ্ন হলেন। কল্পনায় ভাসতে লাগলেন তিনি...
ঘরের টিউব লাইটের আলো আস্তে আস্তে কমে এল ।
৩য় দৃশ্য
"নবাব এ বাংলা , বিহার উড়িষ্যা , মির্জা মুহম্মদ সিরাজ উদ্দৌলা আসিতেছেন... "
নবাব রাজকার্যে প্রবেশ করা মাত্র একজন সিডি চালিয়ে দেয়, সাথে সাথে বাঁজতে থাকে কথাগুলো, সেই সাথে বিউগল এ সুর বেঁজে উঠে, ঢোল বেঁজে উঠে
সবাই নিজ নিজ আসন ছেড়ে দাঁড়িয়ে পড়ে নবাব কে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য।
নবাব সিরাজ প্রবেশ করেন তাঁর কার্য্যালয়ে। সিংহাসনে গিয়ে বসেন।
সিরাজঃ কি ব্যাপার মীর জাফর কে দেখছিনা যে আজ
জগৎ শেঠঃ হুজুরে আলা , উনি একটা ক্লাশ নিচ্ছেন ।
সিরাজঃ ক্লাশ ? কিসের ? কাকে পড়াচ্ছে ?
জগৎ শেঠঃ হুজুর উনি গোলাম আযম , নিজামী, মুজাহিদ, মোস্তাক, সাকাচৌ নামে এবং আরো কয়েক ব্যাক্তি কে কি যেন শিখাচ্ছেন।
সিরাজঃ হুম।
সিরাজ কে খুব চিন্তিত দেখায় এসময়। মুখে হাত দিয়ে চোখ বন্ধ করে তিনি বসে কি যেন চিন্তা করছেন।
সিরাজঃ আমার মন ভালো নেই। এই কে আছিস আজ আলেয়া কে খবর দে। আজ রাতে একটু নাচা গানা হোক , সবাই কি বলেন?
সভাসদ বৃন্দঃ তাই হোক তাই হোক।
নবাব সিরাজ তাই বলে সভা ছেড়ে বেরিয়ে অন্দর মহলে যান।
৪র্থ দৃশ্য
নবাব অন্দর মহলের লিভিং রুমে বসে টিভি তে ক্রিকেট দেখছেন, এমন সময় ঘোষেটি বেগমের প্রবেশ
ঘোষেটি বেগমঃ সিরাজ তুমি খেলা দেখছ ? ওদিকে ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি তোমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।
সিরাজঃ জ্বি খালাম্মা । তার প্রতিবাদে আমি তাই আজকের খেলায় ওয়েষ্ট ইন্ডিজ কে সাপোর্ট করছি। তা শুনেছি আপনার মহলে নাকি দুই জন মহিলা নিয়মিত আসা যাওয়া করে ইদানিং। কারা তারা খালাম্মা জান ?
ঘোষেটি বেগমঃ ও এই খবর ও রাখো তাহলে বেটা। ওদের কে চিনবে না। ওরা ষড়যন্ত্র তত্ত্ব নিয়ে কাজ করে । একজনের নাম খালেদা আরেক জনের নাম হাসিনা। বড় ভালো মেয়ে দুটো।
সিরাজঃ ও । ঠিক আছে খালাম্মা। দেখে শুনে চলতে হয় তো। তাই।
ঘোষেটি বেগমের প্রস্থান। নবাব নিবিষ্ট মনে খেলা দেখছেন টিভিতে।
বেগম লুৎফুন্নিসা এর প্রবেশ।
বেগম লুৎফুন্নিসাঃ নবাব
সিরাজঃ কিছু বলবেন বেগম ?
বেগম লুৎফুন্নিসাঃ জ্বি। একটা আবদার ছিল আপনার কাছে নবাব।
সিরাজঃ বলে ফেলুন বেগম
বেগম লুৎফুন্নিসাঃ শুনলাম বাজারে নাকি নতুন ড্রেস এসেছে - মাসাক্কালি।
সিরাজঃ কি ড্রেস? কি কালি ?
বেগম লুৎফুন্নিসাঃ মাসাক্কালি। আমি ওই ড্রেস চাই।
সিরাজঃ সর্বনাশ বেগম। আপনি এখন জামা পড়বেন ? ঘরে শুয়ে বসে থেকে থেকে, কোন কাজ কাম না করে আর ভালো ভালো খেয়ে খেয়ে আপনি যে খোদার খাসী হয়েছেন , আপনাকে জামা পড়লে জানেন কেমন দুম্বা লাগবে ?
বেগম লুৎফুন্নিসাঃ হোল্ড ইউর টাং , জনাবে আলা।
বেগম লুৎফুন্নিসা রেগে গিয়ে গজ গজ করতে বের হয়ে যান। নবাব টিভি অফ করে বের হন রুম থেকে।
নবাব সিরাজ বসে আছেন সিংহাসনে। তাঁর সামনে চেয়ারে উপবিষ্ট সভাসদ।
সিরাজঃ বাংলা বিহার উড়িষ্যার মহান অধিপতি......
এমন সময় কে যেন বলে উঠলো - কা-আ-ট
সিরাজঃ কে কে ওখানে ? কাট বলে কে ?
জনৈক সভাসদঃ গোস্তাগি মাফ করবেন হুজুর। বাংলা সিনেমার এক আবাল ডিরেক্টর, আপনার রাজদরবারে "দেবদাস" সিনেমার শুটিং এ এসেছিল। আপনার ডায়লগ শুনে মনে করেছে এখানেও সিনেমার শুটিং হচ্ছে বুঝি !!!
সিরাজঃ খামোশ !!! এত বড় আস্পর্ধা আমার প্রাসাদে শুটিং !!! এই কে আছিস , ওকে ধরে ক্রসফায়ারে দে !!!
মহন লালঃ বেয়াদবি নিবেন না হুজুর। আপনার ক্রসফায়ারে দেবার ক্ষমতা নেই, ঐ ক্ষমতা একমাত্র নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার এর।
সিরাজঃ হুম। তাহলে ওকে ক্রসশূলে চড়ানো হোক।
এমন সময় সিরাজের মোবাইল বেঁজে উঠে।
বেগম কল করেছে অন্দরমহল থেকে।
সিরাজঃ বেগম কি মনে করে আপনি আমায় ডাক দিয়েছেন?
ওপাশ থেকেঃ জাঁহাপণা , আপনার সন্ধ্যার নাস্তা তৈরী, আপনি কি তশরিফ দিবেন এখানে।
সিরাজঃ যাথাজ্ঞা বেগম। কি নাস্তা করেছেন আজ ?
ওপাশ থেকেঃ কে এফ সি থেকে ফ্রায়েড চিকেন আনিয়েছি আজ।
সিরাজঃ বাহ বাহ বহুৎ খুব। কি করে জানলেন আমি ফ্রায়েড চিকেন খেতে চেয়েছি ?
ওপাশ থেকেঃ জাঁহাপণা , আমি ফ্রয়েড এর থিওরি পড়েছি যে তাই।
সিরাজঃ আমি আসছি বেগম। আপনি অপেক্ষা করুন।
এই বলে নবাব সিরাজ তার মোবাইল রেখে দেয় মিরপুরি কাতানে তৈরী আলখাল্লায়।
সিরাজঃ রাজকার্য আজকের মত সমাপ্ত
উঁমি চাঁদঃ হুজুর এত ক্ষন বসিয়ে রাখলেন আমাদের ওভার টাইম দিবেন না?
সিরাজঃ সিওর।
সিরাজ বের হয়ে যায় দরবার থেকে ।
২য় দৃশ্য
নবাব সিরাজ বসে আছেন খাবার টেবিলে। তাঁর পাশে বসে আছেন বসে আছেন তাঁর বেগম লুৎফুন্নিসা।
সিরাজঃ আহ চিকেন ফ্রাই খেয়ে মনটা ভরে গেল বেগম। আপনার সাথে দরকারী কথা ছিল বেগম।
বেগম লুৎফুন্নিসাঃ বলুন জনাব
সিরাজঃ আপনার কাতান শাড়ী গুলো কোনটা পুরান হয়েছে বেগম ?
বেগম লুৎফুন্নিসাঃ কেন হুজুর?
সিরাজঃ না মানে আমার আলখাল্লা বানাতে হবে তো তাই খুঁজছি।
বেগম লুৎফুন্নিসাঃ গোস্তাগি মাফ করবেন , এখন আর মিরপুরি কাতান কিনি না হুজুর। ঐটার চল চলে গেছে। "মনে রেখ"আর "শপার্স ওয়ার্ল্ড" থেকে কেনা জর্জেট কাতান শাড়ী সব। ঐ শাড়ী দিয়ে তো আলখাল্লা হবে না হুজুর।
সিরাজঃ তাহলে ???
বেগম লুৎফুন্নিসাঃ হুজুর আপনি শপার্স ওয়ার্ল্ড এ যান , এই যুগের কাপড় চোপড় কিনুন। এখন ঐ গুলা পুরান ফ্যাশন হয়ে গেছে হুজুর এ আলম।
বেগমের কথা শুনে সিরাজ চিন্তামগ্ন হলেন। কল্পনায় ভাসতে লাগলেন তিনি...
ঘরের টিউব লাইটের আলো আস্তে আস্তে কমে এল ।
৩য় দৃশ্য
"নবাব এ বাংলা , বিহার উড়িষ্যা , মির্জা মুহম্মদ সিরাজ উদ্দৌলা আসিতেছেন... "
নবাব রাজকার্যে প্রবেশ করা মাত্র একজন সিডি চালিয়ে দেয়, সাথে সাথে বাঁজতে থাকে কথাগুলো, সেই সাথে বিউগল এ সুর বেঁজে উঠে, ঢোল বেঁজে উঠে
সবাই নিজ নিজ আসন ছেড়ে দাঁড়িয়ে পড়ে নবাব কে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য।
নবাব সিরাজ প্রবেশ করেন তাঁর কার্য্যালয়ে। সিংহাসনে গিয়ে বসেন।
সিরাজঃ কি ব্যাপার মীর জাফর কে দেখছিনা যে আজ
জগৎ শেঠঃ হুজুরে আলা , উনি একটা ক্লাশ নিচ্ছেন ।
সিরাজঃ ক্লাশ ? কিসের ? কাকে পড়াচ্ছে ?
জগৎ শেঠঃ হুজুর উনি গোলাম আযম , নিজামী, মুজাহিদ, মোস্তাক, সাকাচৌ নামে এবং আরো কয়েক ব্যাক্তি কে কি যেন শিখাচ্ছেন।
সিরাজঃ হুম।
সিরাজ কে খুব চিন্তিত দেখায় এসময়। মুখে হাত দিয়ে চোখ বন্ধ করে তিনি বসে কি যেন চিন্তা করছেন।
সিরাজঃ আমার মন ভালো নেই। এই কে আছিস আজ আলেয়া কে খবর দে। আজ রাতে একটু নাচা গানা হোক , সবাই কি বলেন?
সভাসদ বৃন্দঃ তাই হোক তাই হোক।
নবাব সিরাজ তাই বলে সভা ছেড়ে বেরিয়ে অন্দর মহলে যান।
৪র্থ দৃশ্য
নবাব অন্দর মহলের লিভিং রুমে বসে টিভি তে ক্রিকেট দেখছেন, এমন সময় ঘোষেটি বেগমের প্রবেশ
ঘোষেটি বেগমঃ সিরাজ তুমি খেলা দেখছ ? ওদিকে ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি তোমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।
সিরাজঃ জ্বি খালাম্মা । তার প্রতিবাদে আমি তাই আজকের খেলায় ওয়েষ্ট ইন্ডিজ কে সাপোর্ট করছি। তা শুনেছি আপনার মহলে নাকি দুই জন মহিলা নিয়মিত আসা যাওয়া করে ইদানিং। কারা তারা খালাম্মা জান ?
ঘোষেটি বেগমঃ ও এই খবর ও রাখো তাহলে বেটা। ওদের কে চিনবে না। ওরা ষড়যন্ত্র তত্ত্ব নিয়ে কাজ করে । একজনের নাম খালেদা আরেক জনের নাম হাসিনা। বড় ভালো মেয়ে দুটো।
সিরাজঃ ও । ঠিক আছে খালাম্মা। দেখে শুনে চলতে হয় তো। তাই।
ঘোষেটি বেগমের প্রস্থান। নবাব নিবিষ্ট মনে খেলা দেখছেন টিভিতে।
বেগম লুৎফুন্নিসা এর প্রবেশ।
বেগম লুৎফুন্নিসাঃ নবাব
সিরাজঃ কিছু বলবেন বেগম ?
বেগম লুৎফুন্নিসাঃ জ্বি। একটা আবদার ছিল আপনার কাছে নবাব।
সিরাজঃ বলে ফেলুন বেগম
বেগম লুৎফুন্নিসাঃ শুনলাম বাজারে নাকি নতুন ড্রেস এসেছে - মাসাক্কালি।
সিরাজঃ কি ড্রেস? কি কালি ?
বেগম লুৎফুন্নিসাঃ মাসাক্কালি। আমি ওই ড্রেস চাই।
সিরাজঃ সর্বনাশ বেগম। আপনি এখন জামা পড়বেন ? ঘরে শুয়ে বসে থেকে থেকে, কোন কাজ কাম না করে আর ভালো ভালো খেয়ে খেয়ে আপনি যে খোদার খাসী হয়েছেন , আপনাকে জামা পড়লে জানেন কেমন দুম্বা লাগবে ?
বেগম লুৎফুন্নিসাঃ হোল্ড ইউর টাং , জনাবে আলা।
বেগম লুৎফুন্নিসা রেগে গিয়ে গজ গজ করতে বের হয়ে যান। নবাব টিভি অফ করে বের হন রুম থেকে।
৫ম দৃশ্য
নবাবা ও সভাসদ রা গোল হয়ে বসে আছেন নাচঘরে। মাথার উপরে এসি চলছে নিঃশব্দে।
নবাবের সামনে VAT69 এর বোতল। পাশে গ্লাস, জুশ আর বরফ কুচি।
এমন সময় নুপূরের আওয়াজ তুলে আলেয়ার প্রবেশ।
ঘরে ঢুকে সবাই কে কূর্নিশ করে মাঝে দাঁড়ায়। নবাব গলা থেকে একটি স্বর্নের চেইন খুলে ছুড়ে মারে আলেয়ার দিকে।
সিরাজঃ এই নাও আলেয়া তোমার আজকের পারিশ্রমিক।
আলেয়াঃ ধন্যবাদ জাঁহাপনা।
আলেয়া চেইন টা কে নিয়ে হাতে খুঁটিয়ে দেখে।
আলেয়াঃ জাঁহাপনা, এখানে কত ভরি স্বর্ন আছে ? কত ক্যারটের গোল্ড এখানে ?
সিরাজঃ আলেয়া , তুমি আমাকে অপমান করছো । তুমি নাচ শুরু কর। ওইটা ভেনাস জুয়েলার্সে গিয়ে চেক করে এন, আমি জানিনা ঠিক।
আলেয়া নাচ শুরু করে। আশে পাশে তবলা বাদক , সেতার বাদক চুপ করে বসে আছে।
সিডি প্লেয়ারে গান শুরু করে দেয় আলেয়ার সহকারী।
ঘর ভরে ভেসে আসতে থাকে " কাজরা রে কাজরা রে তেরি কালে কালে নেয়না......"
নবাব আর সভাসদ রা ঢুলু ঢুলু চোখে দেখে নাচত নাচতে এক সময় শরীরে কাপড় খুলে বিকিনি পরে নাচতে শুরু করে... এমন সময় গান চেঞ্জ হয়... নতুন গান আসে... গানের মাঝে মাঝে ও ইয়া ! চেক ইট আউট বেবি বলে উঠে একজন...গান চলতে থাকে
নবাব সিরাজের চোখ বন্ধ হয়ে আসে নেশায়...
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন