বয়ে চলা জীবন কাব্যের পান্ডুলিপি


আমার নিজস্ব ব্লগে স্বাগতম । এটা শুধু আমার ব্লগ না , বরং আমি আমার সব প্রিয় জিনিস গুলোকে একত্রে বেঁধেছি এখানে। তাই এটা শুধু ব্লগেই সীমাবদ্ধ থাকেনি , হয়ে উঠেছে আমার ও আরো কয়েকটি অনলাইনের লিঙ্কগুলোর মিলন মেলা ।

মুলতঃ আমারব্লগে ও সামহ্যোয়ারইনব্লগে লিখেই শুরু তারপর আমার ব্লগে বড় একটা সময় কাটিয়েছি হাবিজাবি লিখে লিখে। সেখান থেকেই কিছু কিছু লেখা, আমরাবন্ধু তে লেখা কিছু লেখা এখানে সন্নিবেশিত করেছি।

লেখা লেখির জন্য যে মেধা দরকার, সেটা আমার নাই, তাই অকপটে স্বীকার করতেও সমস্যা নাই আমার। এই মেধাহীন লেখাগুলোকেই সাজিয়ে গুছিয়ে রাখার অপপ্রয়াস মাত্র।


মঙ্গলবার, ১৯ জুন, ২০১২

হৈমন্তী (version 2012)

 ১।
কনের বাপ সবুর করিতে পারিতেন কিন্তু বরের বাপ সবুর করিতে চাহিলেন না। তিনি দেখিলেন মেয়েটির অবৈধ ভাবে ছাত্রী থাকিবার বয়স পার হইয়া গিয়াছে অনেক আগেই কিন্তু যৌতুকের টাকার কাছে তাহা নিতান্তই নগণ্য । এরকম যৌতুক আর কোথাও পাইবেন না ।
আমি ছিলাম বর সুতরাং বিবাহ সম্বন্ধে আমার মত যাচাই করা অনাবশ্যক ছিলো। আমার কাজ আমি করিয়াছি। বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হইয়াই ইয়াবা, ফেন্সিডিল ধরিয়া সারাক্ষন নেশায় বুদ হইয়া থাকিয়া পড়ালেখা চাঙ্গে তুলিয়াছি। চার বছরের কোর্স নয় বছরেও পাশ করিতে না পারিয়া পরে এফ এ আই এল বৃত্তি পাইয়াছি । তাই প্রজাপতির দুই পক্ষ কন্যাপক্ষ ও বরপক্ষ, ঘন ঘন বিচলিত হইয়া পড়িল।
বন্ধুদের কাছে শুনিয়াছি যে একবার বিবাহ করিয়াছে তাহার আর নিস্তার নাই, জগৎ সংসার নিয়া তাহার আর উদ্বেগ থাকেনা । জীবনের সকল রস হারাইয়া তখন সে জিওগ্রাফি চ্যানেল ছাড়া আর কিছুই দেখেনা। নরমাংসের স্বাদ পাইলে মানুষের সম্বন্ধে বাঘের যে দশা হয়, বিবাহের পরেও স্ত্রীদের সেই দশা হইয়া থাকে। অবস্থা যেমনি হউক, বয়স যতই হউক টাকা পয়সার অভাবে কেনাকাটায় ব্যঘাত ঘটিলেই তাহা পূরণ করিবার জন্যে স্ত্রীগণ কোন দ্বিধা করেনা। যত দ্বিধা ও দুশ্চিন্তা সে দেখি আমাদের মতন অকর্মা ছাত্রদের ।
সত্য বলিতেছি , আমার মনে এমন বিষম উদ্‌বেগ জন্মে নাই কারণ জানি পিতা বহুত কামাই করিয়াছে সরকারী দল করিয়া । বরঞ্চ বিবাহের কথায় আমার মনের মধ্যে যেন দক্ষিনে হাওয়া দিতে লাগিল। খুশীতে বেশী বেশী করিয়া ডাইল খাইতে লাগিলাম। ইয়াবার জন্য অগ্রীম বুকিং দিয়া রাখিলাম।
কিন্তু এ কী করিতেছি !! ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে গিয়া গল্প উপ্যনাস লিখিয়া ফেলিলাম। কয় বৎসরের বেদনার যে মেঘ কালো হইয়া জমিয়া উঠিয়াছে , তাহাকে বৈশাখসন্ধ্যার ঝোড়ো বৃষ্টির মতো প্রবল বর্ষণে নিঃশেষ করিয়া দিব । কিন্তু পারিলাম না কাব্য লিখিতে । অভ্র ইন্সটল না করাতে বাংলিশেই লিখিতে হইলো , বাংলিশে আর কত লিখা যায়।
যাহার সঙ্গে আমার বিবাহ হইয়াছিল তাহার সত্য নামটা দিবো না কারণ ফেসবুকে অনেক কেই দেখিয়াছি ছদ্মনাম নিয়া প্রচুর ছোকড়াদের সহিত ট্যাংকি মারিয়া বেড়াইতে। ফেসবুকের ইতিহাসে তাহার নামটি লইয়া যদি আবার ছোকড়াদের মধ্যে বিবাদ লাগিয়া যায় তো আমার সাড়ে সর্বনাশ হইবে। যে তাম্রশাসনে তাহার নামটি খোদাই করা রহিয়াছে তাহা মেট্রিকের সার্টিফিকেটে।
আমার লেখায় তাহার একটা নাম চাই। আচ্ছা, তাহার নাম দিলাম শিলা। কেননা শিলা কি যাওয়ানি গানটার ভিতর কান্নাহাসি - আবেদন একাকার হইয়া আছে।
 ২।
তাহার পিতা ছিলেন উগ্রভাবে সমাজবিরোধী। দেশের প্রচলিত নিয়ম কানুনের প্রতি তাহার কোন আস্থা ছিলো না। সরকারী চাকুরে হইয়াও তিনি ঘুষ খাইতেন না, নীতি কথা বলিতেন , তাহাতে সরকার , উর্দ্ধতন কর্মকর্তা তাঁহার উপর ক্ষুদ্ধ হইয়া তাহাকে খাগড়াছড়ি ট্রান্সফার করিয়া দিয়াছে। তিনি রাজধানীতে আসিবার জন্য পরবর্তিতে আর লবিং করেন নাই। আমার পিতা ছিলেন উগ্রভাবে সমাজের অনুগামী। সমাজে প্রতিষ্ঠা পাইতে হেন কাজ নাই, তিনি করেন নাই। অবৈধ পথে টাকা পয়সা কামাই করিয়া, সরকারী জমি দখল করিয়া, সর্বদা সরকারী দলের হইয়া কাজ করিয়ে তিনি প্রতিষ্ঠা পাইয়াছেন। শিলা আমার শ্বশুড়ের একমাত্র মেয়ে। বাবার বিশ্বাস ছিল কন্যার পিতার সমস্ত টাকা ভাবী জামাতার ভবিষ্যতের গর্ভ পূরণ করিয়া তুলিতেছে।
শিলার যথাসময়ে ত্রিশ হইলো কিন্তু তাহা স্বভাবের ত্রিশ, সমাজের ত্রিশ না। ছাত্র রাজনীতির নেত্রী হইবার কারনে কেহ তাহাকে ঐ বয়স পর্যন্ত ছাত্রী হলে থাকিলেও কেহ কিছু বলে নাই, সেও সেদিকটায় ফিরিয়া দেখিত না ।
বেকার জীবনের ৫ম বর্ষে পা দিয়াছি, আমার বয়স ৩৩ , এমন সময় আমার বিবাহ হইল । বয়সটা সমাজের মতে বা সমাজসংস্কারকের মতে উপযুক্ত কি না তাহা লইয়া তাহারা দুই পক্ষ লড়াই করিয়া রক্তারক্তি করিয়া মরুক, কিন্তু আমি বলিতেছি , তবুও বিবাহ যে হইলো, এতেই আমি খুশি।
একদিন বসিয়া ব্লগ পড়িতেছিলাম এমন সময় একজন ঠাট্টার সম্পর্কের আত্মীয়া আমার টেবিলের উপরে শিলার ছবিখানি রাখিয়া বলিলেন, “এইবার সত্যিকার পড়া পড়ো — একেবারে ঘাড়মোড় ভাঙিয়া।”
যা হউক, অকালের ঠিক পূর্বলগ্নটাতে আসিয়া বিবাহের দিন ঠেকিল। সেদিনকার হিন্দি গানের প্রত্যেক তানটি যে আমার মনে পড়িতেছে। সেদিনকার প্রত্যেক মুহূর্তটি আমি গাঁজা খাইয়া বুদ হইয়া তারপর আমার সমস্ত চৈতন্য দিয়া স্পর্শ করিয়াছি।
বিবাহসভায় চারি দিকে হট্টগোল তাঁহার মাঝে আমি তাহাকে দেখিলাম। তাহাকে দেখিয়াই বিবাহের ঝামেলার মধ্যেই মোবাইল দিয়া ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলাম -
'আমি পাইলাম , আমি ইহাকে পাইলাম। '
দুষ্টু লোকেরা নানান মন্তব্য করিলো, কয়েকশত লাইক পড়িল , কিন্তু আমি তাহাতে গা করিলাম না ।
বিবাহের পরে বিদায়ের মুহুর্তে শিলা তাঁহার বাবাকে জড়াইয়া ধরিয়া খানিকক্ষন কাদিলো। তাহারপর সব-শেষে শ্বশুড়মশাই আমাকে নিভৃতে লইয়া গিয়া অপরাধীর মতো সসংকোচে বলিলেন, “ আমার মেয়েটির ফেসবুকিং, শপিং করিবার শখ , এবং রাজনীতি , শ্লোগান দিতে , পিকেটিং করিতে ও বড়ো ভালোবাসে । এজন্য বেহাইকে বিরক্ত করিতে ইচ্ছা করি না । মাঝে মাঝে তাহাকে পুলিশে ধরিলে তুমি ব্যবস্থা করিবে । না হইলে তোমার বাবা জানিতে পারিলে রাগ করিবেন।”
আমি স্তব্ধ হইয়া বসিয়া ভাবিতে লাগিলাম । মনে বুঝিলাম , ইহারা অন্য জাতের মানুষ।
শিলা — না , এ নামটা আর ব্যবহার করা চলিল না । একে তো এটা তাহার ফেসবুক নাম , আসল নাম নহে , তাহাতে এটা তাহার পরিচয়ও নহে । বিবাহ তো হইয়াই গিয়াছে এখন আর কী হইবে গোপনে রাখিয়া। তাহার আসল নাম হৈমন্তী।

৩।
আমার মনে একটা ভাবনা ছিল রাজনীতি করা বড়ো মেয়ে না জানি কি করিয়া বসে। কিন্তু অতি অল্পদিনেই দেখিলাম টেলিভিশনের হিন্দি চ্যানেলের সিরিয়ালের সঙ্গে নারী মনের কোনো জায়গায় কোনো কাটাকাটি নাই। বসিয়া দিনরাত হিন্দি সিরিয়াল দেখিতে লাগিলো। দেখিতে দেখিতে চোখে ঘোর লাগিয়া উঠিলে ঘুমাইয়া বিশ্রাম লয়।
এ তো গেল এক দিকের কথা । আবার অন্য দিকও আছে , সেটা বিস্তারিত বলিবার সময় আসিয়াছে ।
আমাদের ঘরের কাজ কর্ম শিখাইবার জন্য মা ব্যগ্র কিন্তু হৈম কোনভাবেই ঘরের কাজ করিতে আগ্রহী নহে। বরং সে কাজের কথা বলিলেই কোমরে ওড়না পেচাইয়া তারঃস্বরে বিরোধী দলীয় সাংসদ দের ন্যায় মা এর সহিত ঝগড়া করিতে উদ্যত হয়। মা ও কম যান না, তিনিও আঁচল পেচাইয়া তাহাকে প্রধানমন্ত্রীর ন্যায় এক হাত দেখাইতে প্রস্তুত হইয়া থাকেন। ফলশ্রুতিতে গৃহবাস নরকবাসের মতন মনে হইতে লাগিলো।
বাবা মা এর বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দেশের কুটুম্বরা আমাদের বাড়িতে আসিয়া জমা হইলেন। কন্যাকে দেখিয়া তাঁহাদের মধ্যে একটা কানাকানি পড়িয়া গেল । কানাকানি ক্রমে অস্ফুট হইতে স্ফুট হইয়া উঠিল। তাঁহার মধ্যেই হৈম আসিয়া উপস্থিত হইলো। কোনো-এক দিদিমা জিজ্ঞাসা করিলেন , “ নাতবউ , তোমার বয়স কত বলো তো। ”
হৈম বলিলো - কুড়ি। বলিয়াই মা'র দিকে তাকাইয়া চোখ টিপিয়া ইশারা করিলো।
ছেলে বউ এর চোখ টিপি দেখিয়া তৎক্ষণাৎ মা মূর্ছা গেলেন। দিদিমারা সকলে মিলিয়া মা'র মুখে চোখে পানি ছিটাইয়া সুস্থ্য করিয়া তুলিলেন। দিদিমা'রা কহিতে লাগিলেন -
"অপু এই বুড়ো ধামরা বয়সে এমন কচি মেয়ে ঘরে আনিলো। ছিঃ ছিঃ ছিঃ"
বধূর নির্বুদ্ধিতায় রাগিয়া উঠিয়া মা বলিলেন, “ তুমি তো সব জান! তোমার বাবা যে বলিলেন , তোমার বয়স ত্রিশ । ”
হৈম কহিল - "বাবা কি আমাত্তে বেশী বুঝে?"
ইহার পরে মা যতই গালি দিতে লাগিলেন কথাটার কালি ততই গড়াইয়া ছড়াইয়া চারি দিকে লেপিয়া গেল।
হৈমর দুর্গতিতে দুঃখ করিব কী, তাহার কাছে আমার মাথা হেঁট হইয়া গেল। সেদিন একখানা শৌখিন-বাঁধাই-করা সিদ্দিকা কবিরের রেসিপির বই তাহার জন্য কিনিয়া আনিয়াছিলাম। বইখানি সে হাতে করিয়া লইল এবং আস্তে আস্তে কোলের উপর রাখিয়া দিল, একবার খুলিয়া দেখিল না।
আমি তাহার হাতখানি তুলিয়া ধরিয়া বলিলাম, “ হৈম , আমার উপর রাগ করিয়ো না। আমি তোমাকে কখনো আঘাত করিব না। আমি যে তোমারে ডরাই ”
শবে বরাত উপলক্ষ্যে বাসায় বিপুল উৎসাহে হালুয়া রুটির যোগাড় যন্ত চলিতে লাগিলো। এ-পর্যন্ত সে-সমস্ত ক্রিয়াকর্মে বাড়ির বধূকে ডাক পড়ে নাই। নূতন বধূর প্রতি সেদিন হালুয়া বানানোর আদেশ হইলে সে বলিল, “ মা , বলিয়া দাও কী করিয়া হালুয়া রাঁধিতে হইবে"
ইহাতে কাহারো মাথায় আকাশ ভাঙিয়া পড়িবার কথা নয়, কারণ সকলেরই জানা ছিল ভার্সিটি হলে থাকিয়া কন্যা মানুষ ।
হৈম কোনক্রমেই টিভির সামনে হইতে উঠিবে না, তাঁহার পছন্দের সিরিয়াল দেখিবে অপরপক্ষে মা পশ্চিমবঙ্গের বাংলা চ্যানেলের সিরিয়াল দেখিতে চাহিবে। ইহা লইয়া ঘরে বউ শাশুড়ির ঝগড়া আরো বাড়তে লাগিলো। বাবা তাঁহার পছন্দের রেসলিং দেখিতে পারে না বলে মন খারাপ করিয়া হৈম'র বাবাকে শাপ শাপান্ত করিতে লাগিলো।
বাড়িতে দোষ সমস্তই হৈমর। তাহার দোষ যে তাহার বয়স ত্রিশ ; তাহার দোষ যে আমি তাহাকে ভয় পাই ; তাহার দোষ যে বিধাতার এই বিধি , তাই আমার হৃদয়ের রন্ধ্রে রন্ধ্রে সমস্ত আকাশ আজ ভুভুজেলা বাজাইতেছে।
ব্যবসা করিবার উদযোগে কোমর বাঁধিয়া লাগিলাম । তাহার ফাঁকে ফাঁকে গৃহে শান্তি আনিবার জন্য উদযোগ গ্রহন করিতে লাগিলাম। একদিন বৃহস্পতিবার মধ্যাহ্নে নিজের ঘরে বসিয়া "সংসারে শান্তি আনিবার ১০১ টি উপায়" পড়িতেছিলাম এমন সময় হঠাৎ করিয়া ফ্যামিলি লিভিং রুমের দিকে চোখ পড়িলো। দেখি হৈম বসিয়া 'কাভি সাস ভি কাভি বহু থি' অবলোকন করিতেছে। তাঁহার আঁখির কোনায় জল জমিয়াছে , তাহা যেন শরতের শিশির কণার মতন চিক চিক করিতেছে।
আমার বুকে ধক্‌ করিয়া একটা ধাক্কা দিল; মনের মধ্যে একটা অনবধানতার আবরণ ছিঁড়িয়া পড়িয়া গেল। এই নিঃশব্দ গভীর বেদনার রূপটি আমি এতদিন এমন স্পষ্ট করিয়া দেখি নাই। আমার বুকের ভিতরটা হুহু করিয়া উঠিল।
শিশুকাল হইতে বাবার কাছে আমার সংকোচের অন্ত ছিল না— কখনো মুখোমুখি তাঁহার কাছে দরবার করিবার সাহস বা অভ্যাস আমার ছিল না। সেদিন থাকিতে পারিলাম না। লজ্জার মাথা খাইয়া তাঁহাকে বলিয়া বসিলাম, “ বউকে লইয়া হানিমুনে যাইতে চাই"
বাবা তো একেবারে হতবুদ্ধি। মনে লেশমাত্র সন্দেহ রহিল না যে, হৈমই এরূপ অভূতপূর্ব স্পর্ধায় আমাকে প্রবর্তিত করিয়াছে। বাবা কহিলেন - "বটে রে। নিজে কামাই করিয়া সেই টাকায় ঘুরিয়া আসো। আকামের ঢেঁকি।"
বন্ধুরা কেহ কেহ আমাকে জিজ্ঞাসা করিয়াছেন, যাহা বলিলাম তাহা করিলাম না কেন। স্ত্রীকে লইয়া জোর করিয়া বাহির হইয়া গেলেই তো হইত। গেলাম না কেন? কেন! বাপের মানিব্যাগ হইতে টাকা চুরি করিলেই তো হানিমুনে যাইবার টাকা উঠিয়া যাইতো।
তাহারও পরে কী হইল সে কথা আর বলিতে পারিব না।
শুনিতেছি, মা বাবা অন্যত্র ফ্ল্যাট ভাড়া সন্ধান করিতেছেন । হয়তো একদিন মার অনুরোধ অগ্রাহ্য করিতে পারিব না , ইহাও সম্ভব হইতে পারে। কারণ — থাক্‌, আর কাজ কী!



কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন