আগে সাপ্তাহিক/মাসিক ম্যাগাজিন বেশ কেনা হতো। নানান বিষয়ে লেখা - উদ্ভট
বিষয় থেকে নিয়ে নায়ক - নায়িকার বেডরুমের গল্প পর্যন্ত থাকতো । তবে বছরের
শেষ সংখ্যায় থাকতো - আগামী বছরের রাশিফল। পরের বছর কার কেমন যাবে , কোন
রাশির বৈশিষ্ট্য কি - এই রাশির বিখ্যাত মানুষের নাম ইত্যাদি। আগ্রহ নিয়ে
সেগুলো পড়তাম। তবে আপনি যেই রাশির হোন না কেন পরের বছর আপনার ভালো যাবেই -
প্রেম রোমান্স শুভ, চাকরীতে উন্নতি ইত্যাদি ইত্যাদি। এসব ভুয়া কথাবার্তা
জানিনা কেন পড়তে ভালো লাগতো। এখনও খারাপ লাগেনা , বিশেষ করে প্রথম আলোর
ছুটির দিনের ম্যগাজিনের সাপ্তাহিক রাশিফল।
রাশিফলে যাই থাকুক না কেন , এই বছর কেমন যাবে তা আঁচ করতে পারি নাই গত বছর। গত বছরে তারেক মাসুদ, মিশুক মুনীর মারা গেলে খুব কষ্ট লেগেছিলো। তখনও জানতাম না এই বছর যে যাবার সারি এত দীর্ঘ হবে । সেই কষ্ট এত দীর্ঘ হবে।
কে জানতো ২০১২ তেই চলে যাবে হুমায়ুন ফরিদী, হুমায়ুন আহমেদ, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, সুভাস দত্ত !!! আর গত কালকেই চলে গেলেন পন্ডিত রবিশংকর।
আমি রাগ রাগিনির ভিতরের ব্যাপার স্যাপার কিছুই বুঝিনা, কোনটা কি ঘরানার তাও জানিনা। শুধু শুনতে ভালো লাগে বলেই শুনি। পন্ডিত রবিশংকরের সেতার শুনে শুনে চোখ বুঝে কতটা সময় কাটিয়ে দিয়েছি !!!
শুধু সেতার বাদক বললে তাঁর পরিচয় অর্ধেক রয়ে যায়। তিনি ছিলেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একজন মুক্তিযোদ্ধা। তাঁর চেষ্টাতেই তখন বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিপক্ষের দেশ আমেরিকা তে অনুষ্ঠিত হয় কনসার্ট ফর বাংলাদেশ।
এমন একজন ব্যাক্তির চলে যাওয়ার সংবাদ দিয়েই শুরু হোল আজকের দিন।
সব পছন্দের ব্যক্তিত্বরা এরকম একসাথেই চলে যাচ্ছেন কেন ? ২০১২ তে চলে যাওয়ার লোকদের তালিকা এত লম্বা হচ্ছে !!!
পন্ডিত রবিশংকর ছিলেন আমাদের মুক্তি সংগ্রামের যোদ্ধা , সুনীল ছিলেন আরেকজন অকৃত্রিম বন্ধু বাংলাদেশের, হুমায়ুন ফরিদী ছিলেন একজন মুক্তিযোদ্ধা, হুমায়ুন আহমদে এর বাবা শহীদ হয়েছেন যুদ্ধে। কি আজব !!! এসব লোকেরাই চলে যাচ্ছেন ২০১২ তে।
এঁদের কাউকেই কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়নাই অথচ এঁরা কত কাছের মানুষ আমার!!! যেন আমার আত্মীয় ।
আমার আত্মার আত্মীয়। আমার অস্তিত্বের সাথে জড়ায়ে আছে যেন ।
রাশিফলে যাই থাকুক না কেন , এই বছর কেমন যাবে তা আঁচ করতে পারি নাই গত বছর। গত বছরে তারেক মাসুদ, মিশুক মুনীর মারা গেলে খুব কষ্ট লেগেছিলো। তখনও জানতাম না এই বছর যে যাবার সারি এত দীর্ঘ হবে । সেই কষ্ট এত দীর্ঘ হবে।
কে জানতো ২০১২ তেই চলে যাবে হুমায়ুন ফরিদী, হুমায়ুন আহমেদ, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, সুভাস দত্ত !!! আর গত কালকেই চলে গেলেন পন্ডিত রবিশংকর।
আমি রাগ রাগিনির ভিতরের ব্যাপার স্যাপার কিছুই বুঝিনা, কোনটা কি ঘরানার তাও জানিনা। শুধু শুনতে ভালো লাগে বলেই শুনি। পন্ডিত রবিশংকরের সেতার শুনে শুনে চোখ বুঝে কতটা সময় কাটিয়ে দিয়েছি !!!
শুধু সেতার বাদক বললে তাঁর পরিচয় অর্ধেক রয়ে যায়। তিনি ছিলেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একজন মুক্তিযোদ্ধা। তাঁর চেষ্টাতেই তখন বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিপক্ষের দেশ আমেরিকা তে অনুষ্ঠিত হয় কনসার্ট ফর বাংলাদেশ।
এমন একজন ব্যাক্তির চলে যাওয়ার সংবাদ দিয়েই শুরু হোল আজকের দিন।
সব পছন্দের ব্যক্তিত্বরা এরকম একসাথেই চলে যাচ্ছেন কেন ? ২০১২ তে চলে যাওয়ার লোকদের তালিকা এত লম্বা হচ্ছে !!!
পন্ডিত রবিশংকর ছিলেন আমাদের মুক্তি সংগ্রামের যোদ্ধা , সুনীল ছিলেন আরেকজন অকৃত্রিম বন্ধু বাংলাদেশের, হুমায়ুন ফরিদী ছিলেন একজন মুক্তিযোদ্ধা, হুমায়ুন আহমদে এর বাবা শহীদ হয়েছেন যুদ্ধে। কি আজব !!! এসব লোকেরাই চলে যাচ্ছেন ২০১২ তে।
এঁদের কাউকেই কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়নাই অথচ এঁরা কত কাছের মানুষ আমার!!! যেন আমার আত্মীয় ।
আমার আত্মার আত্মীয়। আমার অস্তিত্বের সাথে জড়ায়ে আছে যেন ।
না দেখা মানুষগুলোই আত্মার আত্মীয় হয়।
উত্তরমুছুন