ব্লগে আসা হয় না নিয়মিত। কমতে কমতে একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে পোষ্ট দেয়া।
কেন আসা হয় না তাঁর কোন সদুত্তরও নেই। সারাটাদিন ফেসবুকেই থাকা হয় বেশি। ফেসবুকেও করার কিছু থাকেনা , বসে বসে পোষ্ট দেখি, লিঙ্ক শেয়ার দেখি , ছবি দেখি , নোট দেখি আর লাইক দেই। মন চাইলে কমেন্ট।
একরকম জড়তা , অবসাদগ্রস্ততা গ্রাস করছে ধীরে ধীরে। অফিসে আসা যাওয়ার পথে নানা রকম চিন্তা , কতো ভাবনা এসে জড়ো হয় ।ভাবি , ব্লগে একটা পোষ্ট দেই। অফিসে ঢুকলে বা বাসায় ঢুকা মাত্রই কেন জানি উবে যায় কর্পুরের মতন ইচ্ছাটা। লেখা হয়ে উঠেনা। কিংবা হয়তো লেখালেখির যতটুকু শক্তি ছিলো , শেষ হয়ে গিয়েছে। আগেও যে খুব লিখে উল্টায় ফেলতাম, খুব যে ভালো গল্প উপন্যাস লিখতাম - তা নয়। আমি রাইটার নই , তাই বলতেও পারছিনা রাইটার্স ব্লক ।
তবে এখন ঘুরাঘুরি বেড়ে গেছে অনেক। সময় বানিয়ে নিয়েই দৌড় দেই ঢাকার আশে পাশে কিংবা আরেকটু দূরে । সাথে থাকে ক্যামেরা। না , আমি ফটোগ্রাফারও নই। ক্লিক করা আমার শখ। ক্লিক করতেই থাকি ।
অনেক কিছু করার শখ ছিলো, অনেক কিছু হবার শখ ছিলো। কিছুই করতে পারিনি, কিছুই হতে পারিনি। একটা সময় স্বাভাবিক জীবন যাপন টাই ছিলো কঠিন, লড়াই করতে গিয়ে শখ গুলো কখন যে মরে গেছিল, খেয়াল করি নাই। সময়ের সাথে সাথে আবার কিছু কিছু ইচ্ছা গুলো জন্মাতে শুরু করেছে আগাছার মতন।
জীবনে চলার পথ কখনোই মসৃন ছিল না। এখনো চলছে সেরকম অমসৃন পথে হাঁটা । হয়তো এই কারণেই হাঁপিয়ে উঠি । শুদ্ধ অক্সিজেনের জন্য দৌড়াই কিংবা দূরে গিয়ে ভুলে থাকতে চাই বাস্তবতা কিংবা ফেসবুকের নানান মানুষের ভীড়ে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে চাই ।
এই ভুলে যাইতে গিয়ে , ব্যস্ত রাখতে গিয়ে মাঝে উদভ্রান্তের মতন দৌড়াদৌড়ি করি। চুপ করে বসে থাকি নিজের মনের আঙিনায় । স্বপ্নের কুয়াশা লাগা চোখে দেখি নিদারুন দাবদাহ। যেন পুড়িয়ে চলেছে অবিরত।
কেন আসা হয় না তাঁর কোন সদুত্তরও নেই। সারাটাদিন ফেসবুকেই থাকা হয় বেশি। ফেসবুকেও করার কিছু থাকেনা , বসে বসে পোষ্ট দেখি, লিঙ্ক শেয়ার দেখি , ছবি দেখি , নোট দেখি আর লাইক দেই। মন চাইলে কমেন্ট।
একরকম জড়তা , অবসাদগ্রস্ততা গ্রাস করছে ধীরে ধীরে। অফিসে আসা যাওয়ার পথে নানা রকম চিন্তা , কতো ভাবনা এসে জড়ো হয় ।ভাবি , ব্লগে একটা পোষ্ট দেই। অফিসে ঢুকলে বা বাসায় ঢুকা মাত্রই কেন জানি উবে যায় কর্পুরের মতন ইচ্ছাটা। লেখা হয়ে উঠেনা। কিংবা হয়তো লেখালেখির যতটুকু শক্তি ছিলো , শেষ হয়ে গিয়েছে। আগেও যে খুব লিখে উল্টায় ফেলতাম, খুব যে ভালো গল্প উপন্যাস লিখতাম - তা নয়। আমি রাইটার নই , তাই বলতেও পারছিনা রাইটার্স ব্লক ।
তবে এখন ঘুরাঘুরি বেড়ে গেছে অনেক। সময় বানিয়ে নিয়েই দৌড় দেই ঢাকার আশে পাশে কিংবা আরেকটু দূরে । সাথে থাকে ক্যামেরা। না , আমি ফটোগ্রাফারও নই। ক্লিক করা আমার শখ। ক্লিক করতেই থাকি ।
অনেক কিছু করার শখ ছিলো, অনেক কিছু হবার শখ ছিলো। কিছুই করতে পারিনি, কিছুই হতে পারিনি। একটা সময় স্বাভাবিক জীবন যাপন টাই ছিলো কঠিন, লড়াই করতে গিয়ে শখ গুলো কখন যে মরে গেছিল, খেয়াল করি নাই। সময়ের সাথে সাথে আবার কিছু কিছু ইচ্ছা গুলো জন্মাতে শুরু করেছে আগাছার মতন।
জীবনে চলার পথ কখনোই মসৃন ছিল না। এখনো চলছে সেরকম অমসৃন পথে হাঁটা । হয়তো এই কারণেই হাঁপিয়ে উঠি । শুদ্ধ অক্সিজেনের জন্য দৌড়াই কিংবা দূরে গিয়ে ভুলে থাকতে চাই বাস্তবতা কিংবা ফেসবুকের নানান মানুষের ভীড়ে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে চাই ।
এই ভুলে যাইতে গিয়ে , ব্যস্ত রাখতে গিয়ে মাঝে উদভ্রান্তের মতন দৌড়াদৌড়ি করি। চুপ করে বসে থাকি নিজের মনের আঙিনায় । স্বপ্নের কুয়াশা লাগা চোখে দেখি নিদারুন দাবদাহ। যেন পুড়িয়ে চলেছে অবিরত।
সময়ের সাথে সাথে মানুষের শখ পাল্টায়। মানুষ মেঘের মত পরিবর্তনশীল।
উত্তরমুছুন