১
দীর্ঘ ১ বছরের উপর হয়ে গেছে। টিভি খুলি না। ভালো লাগেনা। আগে তাও জিওগ্রাফী, ডিসকভারি চ্যানেলে দেখতাম, এখন কিছুই দেখিনা। বাসায় কোন গেস্ট আসলে তার সাথে গিয়ে হয়তো বসি , তখন দেখি। অল্প কিছুক্ষন পরেই বিরক্ত লাগা শুরু হয় । তাই টিভি দেখা হয় না।
২
এক সময় গান শুনতাম প্রচুর। সারাক্ষন গান, ঘুমাতে গেলে গান। এমনকি গান শুনবো বলে ঘুমাইনি কত রাত। সারারাত ধরে গান শুনে কাটিয়ে দিয়েছি কত বার।
এখন গানও শোনা হয় না । মাঝে মধ্যে হয়তো শুনি । কিন্তু সেটা কালে ভদ্রে , কখনো সখনো।
৩
আগে যখন ব্লগ ছিলো না, মাসুম ভাইকেও চিনতাম না। তখন পেপার থেকে মুভির নাম সংগ্রহ করে , অস্কার পাওয়া ছবির লিস্ট ধরে নিয়ে যেতাম সিডি/ডিভিডি কিনতে। ছুটির দিনগুলোতে একের পর এক গোগ্রাসে গিলতে থাকতাম মুভি।
নতুন কোন মুভি সিনেমা হলে মুক্তি পেলে কোন মিস ছিলো না। শঙ্খনীল কারাগার দেখতে গিয়ে শার্টের বোতাম ছিড়েছিলাম, ধাক্কা ধাক্কি করে গ্যারিসনে টিকেটে কেটে দেখি টিকেটের গায়ে "টুল" সিল মারা।
মধুমিতায় প্রথম যেদিন ডলবি ডিজিটাল সাউন্ড সিস্টেম চালু হয়, তখন ব্রেভহার্ট সিনেমা দিয়ে শুরু করেছিলো। সিনেমার শুরুতেই বজ্রপাতের শব্দে দারুণ চমকে উঠেছিলাম। একই ভাবে বলাকা হলে গিয়েও উপভোগ করেছিলাম নতুন পর্দা তে মুভি, ডিটিএস সাউন্ড সিস্টেমে।
সিনেপ্লেক্সেও গিয়েছিলাম দৌড়িয়ে। আর এখন কোন সিনেমাই আমারে টানেনা। না হলে, না ঘরে। আগ্রহরা কোথায় উড়ে গিয়েছে , কখন, কীভাবে - আমি তার কিছুই জানিনা।
৪
দিন রাত পার করে দিয়েছি বই পড়ে। ঘুম, খাওয়া বাদ দিয়ে বই পড়েছি কত ! বই পড়ে উঠতে গিয়ে চোখে অন্ধকার দেখে ধপাস করে বসে পড়েছি। সারা বছর বই মেলার জন্য অপেক্ষা করতাম। এখন বই খুলেও দেখিনা। গত বইমেলায় বই কিনেছিলাম ২/৩ টা, এখনও শেষ হয়নাই।
৫
খেলাও দেখা হয় না এখন। না ক্রিকেট, না ফুটবল। খেলা দেখতে গিয়ে ধাক্কা ধাক্কি, মারা মারি স্কোর নিয়ে লড়াই , উত্তেজনায় হার্টবিট মিস - আহা !!! এখন কোনই খেলা দেখা হয় না । কিছুই না।
৬
গণজাগরন শুরু হবার পর কয়েকবার গেছি একা একা। চুপি চুপি । কাউকে জানাই নাই। উদ্দেশ্য ছিলো ঐখানে যারা যায়, যারা শ্লোগান দিচ্ছে, যারা আলপনা আঁকছে , গান গাচ্ছে - তাঁদের কে কাছ থেকে দেখা। তাঁদের কে স্টাডি করতে গিয়েছিলাম, জানতে গিয়েছিলাম। এটা নিয়ে একটা পোস্ট দেবার চিন্তা থেকেই গিয়েছিলাম। কিন্তু তা নিয়ে আর লেখা হয়ে উঠেনাই।
সেদিন তানবীরা ফেসবুক ওয়ালে স্যাটায়ার লিখতে বলে পোস্ট দিলো । কতবার ভেবেছি লিখবো, লেখা হয়ে উঠেনা। ঠিক করে রেখেছি কত কিছু । কতদিন ভেবেছি দীর্ঘ ১৬ বছরের কামলা জীবন নিয়ে লিখবো , ঘটে যাওয়া কত মজার ঘটনা। লেখা হয়ে উঠেনা। কিছুই লিখিনা। নতুন লেখার পেজ খুলে আবার বন্ধ করে দেই।
----
এখন কিছুই করতে ইচ্ছা করেনা। কিছুইনা। ফেসবুকে মাঝে মাঝে এমনেই চেয়ে থাকি । মাঝে মাঝে ঘুরতে যাই ঢাকার আশেপাশে না হলে দূরে কোথাও। অক্সিজেনের মত কাজ করে এই ঘুরাঘুরি।
অস্থির লাগে এই অস্থির সময়ে। অফিস থেকে বাসায় গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেই, পরদিন আবার অফিস। বদ্ধ ঘরে শুয়ে শুয়ে কত কল্পনা করি, কত ভাবনা মাথায় আসে !!
অপেক্ষায় থাকি দিন দিন শেষ হয়ে নতুন দিন আসবে। কিন্তু নতুন দিন নতুন কিছু আনবে না জানি, তবুও দিন শেষ হবার অপেক্ষায় থাকি। দিন গেলে কী আসবে জানিনা।
অপেক্ষার প্রহর গুনতেই থাকি তবুও।
দীর্ঘ ১ বছরের উপর হয়ে গেছে। টিভি খুলি না। ভালো লাগেনা। আগে তাও জিওগ্রাফী, ডিসকভারি চ্যানেলে দেখতাম, এখন কিছুই দেখিনা। বাসায় কোন গেস্ট আসলে তার সাথে গিয়ে হয়তো বসি , তখন দেখি। অল্প কিছুক্ষন পরেই বিরক্ত লাগা শুরু হয় । তাই টিভি দেখা হয় না।
২
এক সময় গান শুনতাম প্রচুর। সারাক্ষন গান, ঘুমাতে গেলে গান। এমনকি গান শুনবো বলে ঘুমাইনি কত রাত। সারারাত ধরে গান শুনে কাটিয়ে দিয়েছি কত বার।
এখন গানও শোনা হয় না । মাঝে মধ্যে হয়তো শুনি । কিন্তু সেটা কালে ভদ্রে , কখনো সখনো।
৩
আগে যখন ব্লগ ছিলো না, মাসুম ভাইকেও চিনতাম না। তখন পেপার থেকে মুভির নাম সংগ্রহ করে , অস্কার পাওয়া ছবির লিস্ট ধরে নিয়ে যেতাম সিডি/ডিভিডি কিনতে। ছুটির দিনগুলোতে একের পর এক গোগ্রাসে গিলতে থাকতাম মুভি।
নতুন কোন মুভি সিনেমা হলে মুক্তি পেলে কোন মিস ছিলো না। শঙ্খনীল কারাগার দেখতে গিয়ে শার্টের বোতাম ছিড়েছিলাম, ধাক্কা ধাক্কি করে গ্যারিসনে টিকেটে কেটে দেখি টিকেটের গায়ে "টুল" সিল মারা।
মধুমিতায় প্রথম যেদিন ডলবি ডিজিটাল সাউন্ড সিস্টেম চালু হয়, তখন ব্রেভহার্ট সিনেমা দিয়ে শুরু করেছিলো। সিনেমার শুরুতেই বজ্রপাতের শব্দে দারুণ চমকে উঠেছিলাম। একই ভাবে বলাকা হলে গিয়েও উপভোগ করেছিলাম নতুন পর্দা তে মুভি, ডিটিএস সাউন্ড সিস্টেমে।
সিনেপ্লেক্সেও গিয়েছিলাম দৌড়িয়ে। আর এখন কোন সিনেমাই আমারে টানেনা। না হলে, না ঘরে। আগ্রহরা কোথায় উড়ে গিয়েছে , কখন, কীভাবে - আমি তার কিছুই জানিনা।
৪
দিন রাত পার করে দিয়েছি বই পড়ে। ঘুম, খাওয়া বাদ দিয়ে বই পড়েছি কত ! বই পড়ে উঠতে গিয়ে চোখে অন্ধকার দেখে ধপাস করে বসে পড়েছি। সারা বছর বই মেলার জন্য অপেক্ষা করতাম। এখন বই খুলেও দেখিনা। গত বইমেলায় বই কিনেছিলাম ২/৩ টা, এখনও শেষ হয়নাই।
৫
খেলাও দেখা হয় না এখন। না ক্রিকেট, না ফুটবল। খেলা দেখতে গিয়ে ধাক্কা ধাক্কি, মারা মারি স্কোর নিয়ে লড়াই , উত্তেজনায় হার্টবিট মিস - আহা !!! এখন কোনই খেলা দেখা হয় না । কিছুই না।
৬
গণজাগরন শুরু হবার পর কয়েকবার গেছি একা একা। চুপি চুপি । কাউকে জানাই নাই। উদ্দেশ্য ছিলো ঐখানে যারা যায়, যারা শ্লোগান দিচ্ছে, যারা আলপনা আঁকছে , গান গাচ্ছে - তাঁদের কে কাছ থেকে দেখা। তাঁদের কে স্টাডি করতে গিয়েছিলাম, জানতে গিয়েছিলাম। এটা নিয়ে একটা পোস্ট দেবার চিন্তা থেকেই গিয়েছিলাম। কিন্তু তা নিয়ে আর লেখা হয়ে উঠেনাই।
সেদিন তানবীরা ফেসবুক ওয়ালে স্যাটায়ার লিখতে বলে পোস্ট দিলো । কতবার ভেবেছি লিখবো, লেখা হয়ে উঠেনা। ঠিক করে রেখেছি কত কিছু । কতদিন ভেবেছি দীর্ঘ ১৬ বছরের কামলা জীবন নিয়ে লিখবো , ঘটে যাওয়া কত মজার ঘটনা। লেখা হয়ে উঠেনা। কিছুই লিখিনা। নতুন লেখার পেজ খুলে আবার বন্ধ করে দেই।
----
এখন কিছুই করতে ইচ্ছা করেনা। কিছুইনা। ফেসবুকে মাঝে মাঝে এমনেই চেয়ে থাকি । মাঝে মাঝে ঘুরতে যাই ঢাকার আশেপাশে না হলে দূরে কোথাও। অক্সিজেনের মত কাজ করে এই ঘুরাঘুরি।
অস্থির লাগে এই অস্থির সময়ে। অফিস থেকে বাসায় গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেই, পরদিন আবার অফিস। বদ্ধ ঘরে শুয়ে শুয়ে কত কল্পনা করি, কত ভাবনা মাথায় আসে !!
অপেক্ষায় থাকি দিন দিন শেষ হয়ে নতুন দিন আসবে। কিন্তু নতুন দিন নতুন কিছু আনবে না জানি, তবুও দিন শেষ হবার অপেক্ষায় থাকি। দিন গেলে কী আসবে জানিনা।
অপেক্ষার প্রহর গুনতেই থাকি তবুও।
১৬ বছরের কামলা জীবন নিয়ে লেখেন, আমি পড়বো। অপেক্ষা ফুরালে জীবন শেষ।
উত্তরমুছুন